একেই বলে ভাগ্যের লিখন না যায় খন্ডন

ভার্চুয়াল জগতে ভাইরাল কাণ্ড এখন নিত্যদিনের ঘটনা। শুধু একটু চমক দিতে পারলেই চোখের পলকে ছড়িয়ে যাবে সর্বত্র।

আর ভিডিও ক্লিপের ফ্রেমবন্দী মানুষটি হয়ে যান সেলিব্রেটি। অবশ্য যোগ্যতাও এখানে মুখ্য বিষয়। বর্তমান যুগে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিতে এখন আর পরীক্ষা কিংবা ভাইভার দরকার নেই।

শুধু মোবাইলটা সামনে রেখে ভিডিও করে আপলোড করলেই বাকি কাজ শ্রোতা কিংবা দর্শকরা করবে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই ভিডিওটি আকর্ষণীয় এবং ভালো লাগার মিশেলে হতে হবে। কারণ সবকিছু তো আর ভাইরাল হয় না।

রাতারাতি সেলিব্রেটি হওয়ার উদাহরণ আছে অসংখ্য। তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ ভারতের প্রিয়া প্রকাশ ভেরিয়ার। এক চোখ টিপেই হয়ে গেলেন তারকা। ব্যতিক্রম হচ্ছে না বাংলাদেশের বেলায়ও।

সম্প্রতি ফেসবুকে গানের ভিডিও পোস্ট করে ভাইরাল হয়েছেন মাহতিম শাকিব আর টুম্পা খান। এর মধ্যে টুম্পা খানের গান নজর কেড়েছে বেশি। শুধু উইকেলেলে বাজিয়ে খালি কণ্ঠে জনপ্রিয় গান ‘অপরাধী’ কভার করে হয়ে উঠেছিলেন ফেসবুক সুপারস্টার।

এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে একেবারে পেশাদার শিল্পীতে পরিণত হলেন টুম্পা। এতদিন যেখানে কনসার্ট কিংবা কোনো অনুষ্ঠানেও গান করার সুযোগ পাননি সেখানে ফেসবুকের এক ভিডিওতে হয়ে গেলেন প্লেব্যাক সিঙ্গার।

ও মাই লাভ ছবির একটি গানের জন্য প্লেব্যাক করলেন এ শিল্পী। দ্বৈত গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন ক্লোজআপ ওয়ান তারকা কিশোরও। গত শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি স্টুডিওতে তাদের দুজনের কণ্ঠে গানটি ধারণ করা হয়। গানটি লিখেছেন কবির বকুল, সুর ও সংগীত করেছেন আলী আকরাম শুভ।

এ যেন মেঘ না চাইতেই বৃষ্টি। রাতারাতি স্বপ্ন পূরণে উচ্ছ্বসিত টুম্পাও, ‘যখন গানটিতে কণ্ঠ দিচ্ছিলাম তখনো মনে হয়নি প্লেব্যাক করছি। আমি যে কোনো দিন প্লেব্যাক করব, সেটা আমার চিন্তায়ও ছিল না।

মনে হচ্ছে এখনো আমি ঘোরের মধ্যে আছি। সবার সহযোগিতা ও নিজের শ্রম দিয়ে সামনে এগোতে চাই।’ সবশেষ মনের মধ্যে একটি প্রবাদ বাক্যই ভেসে উঠছে ‘ভাগ্যের লিখন না যায় খন্ডন’।

Hits: 28

Facebook Comments

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!